সিলেটের পরিত্যক্ত ধোপাদীঘি পাচ্ছে নান্দনিক রূপ

0
401

সিলেট প্রতিনিধি : নগরবাসীর বিনোদনের কথা চিন্তা করে পরিত্যক্ত ধোপাদীঘিকে নান্দনিক রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।
সিসিক প্রকৌশল শাখা জানিয়েছে, ধোপাদীঘির আকার ছোট হবে না। বরং নোংরা দুর্গন্ধময় পরিত্যক্ত এই দীঘিকে নান্দনিক সৌন্দর্য্যে রূপ দেওয়ার জন্য দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে চলছে।

সিলেট ধোপাদিঘীর পাড় পুকুরের আকার ৩.৪১ একর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে উন্নীত হবে ৩.৭৫ একরে, * নির্মিত হবে ওয়াকওয়ে
*পুকুরের পানি হবে পরিস্কার
* পুকুরের মধ্যখানে নৌকার আদলে থাকবে রেস্তোরা
* সকাল থেকে সন্ধ্যা হাটাচলার জন্য থাকবে উন্মুক্ত
* থাকবে বেঞ্চ, , প্যাডেল বোট, শিশুদের রাইডের জায়গা

সিলেট ধোপাদীঘির
নান্দনিক সৌন্দর্য্যের রূপ প্রকল্প

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সিলেট মহানগরীর ধোপাদিঘীরপাড়ে অবস্থিত ধোপাদিঘীতে সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প ভারতীয় সরকারের অনুদানে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ২১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৫শ টাকা।
এই প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে দীঘির খননকাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দীঘির চারদিকে ওয়াকওয়ে নির্মান করা হবে, বসার জন্য থাকবে বেঞ্চ, শিশুদের জন্য রাইডের জায়গা থাকবে, পুকুরে নামার জন্য থাকবে দুটি দৃস্টিনন্দন ঘাট, পুকুরের নোংরা পানিকে পরিস্কার করা হবে এবং সেই সাথে পুকুরের মধ্যে ঘোরার জন্য থাকবে প্যাডেল বোট, বৃক্ষপ্রেমীদের পরামর্শে সুদৃশ্যভাবে লাগানো হবে সবুজ বৃক্ষ, পুকুরের মধ্যখানে থাকবে নৌকার আদলে ভাসমান রেস্তোরা।
এখানে থাকবে একাধিক টয়লেট।

এসব টয়লেট ও বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার জন্য থাকবে আলাদা পাইপলাইন, যা পুকুরের পানির সাথে সংযোগ থাকবে না। সবার জন্য উন্মুক্ত এই জায়গাটির প্রবেশপথ থাকবে সিটি কর্পোরেশনের মসজিদের উত্তরপাশ দিয়ে এবং মহানগরবাসী সকাল-বিকেল ও সন্ধ্যায় যাতে এখানে এসে হাঁটতে পারেন সেজন্য রাতের বেলা আলোকিতকরণসহ সংশ্লিষ্ট সকল সুবিধা রাখা হবে।

 

সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে আমার একটি স্বপ্ন ছিল সিলেট মহানগরবাসীর হাঁটাচলার জন্য একটি নির্মল পরিবেশের স্থান গড়ে তোলা। যেখানে নগরবাসী কিছুটা সময় নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে উপভোগ করবেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ধোপাদীঘিকে কেন্দ্র করে এই রকম একটি আবহ তৈরি করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি, যে কেউ বর্তমান দীঘিটির করুণ চিত্র গিয়ে দেখে আসতে পারেন। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে দীঘির পানি নোংরা হয়ে গেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীঘিটির পুনরুজ্জীবন হবে।’

ফ্রান্স বাংলা- ১৮/০৭/২০২০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here