সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

0
172
সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ

ছাতক প্রতিনিধি :সুনামগঞ্জে ছাতকের আসন্ন সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। আওয়ামীলীগ, বিএনপি, স্বতন্ত্র প্রতীকে প্রার্থীরা আগ্রহী হয়ে নিজ নিজ দল ও ইউনিয়নের ভোটারদের সমর্থন পেতে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ১১ এপ্রিল সিংচাপইড় ইউনিয়ন নির্বাচন হতে পারে এই ধারাকে সামনে রেখেই প্রবাসীরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং কেউ কেউ দেশে ফিরে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সেই সাথে বসে নেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে সাবেক,বর্তমান, নতুন মেম্বার পদপ্রার্থীরাও।ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারে, মোড়ে, জনাকীর্ণ স্থানে রং বেরং এর প্রোস্টার লাগিয়ে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা জানান দিচ্ছেন।অনুসন্ধানে জানা গেছে সিংচাপইড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাবেক, বর্তমান, প্রবাসীসহ বিভিন্ন পেশার  বিশিষ্টজন নির্বাচনে লড়াইয়ের লক্ষে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।তাছাড়া অগ্রীম সময়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও ধারনা করছেন অনেকেই। প্রার্থীদের প্রচারণার তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যে ৬ জন্য চেয়াম্যার প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

এর মধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহিদ আলী দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করে ভোটারদের ধারে ধারে ঘুরছেন। লন্ডন প্রবাসী আশিকুল ইসলাম আশিক তিনি দলীয় নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে দৌড়ঝাঁপ ও প্রচারণায় ব্যস্থ রয়েছেন। সাবেক চেয়ারম্যান মুর্শেদ চৌধুরী তিনিও পুনরায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমর্থকদের প্রচারণায় সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন সাহেল ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ক্রিড়া সংগঠক আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল আহাদ ও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে মাঠে প্রচারণায় রয়েছেন। জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সায়েম আহমদ ও বিএনপি নেতা আসকর আলী আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাছাড়া দলীয় প্রতীক ছাড়া লন্ডন প্রবাসী আজাদুর রহমান আজাদ,যুবনেতা রাসেল আহমদ রাসেল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। যদিও প্রচারণায় দেখা যায় নি এমন কয়েক জন অগ্রীম সময়ে প্রার্থী হতে পারেন বলেও জানা গেছে।

জাতীয়পার্টি থেকে কাউকে দেখা না গেলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী থাকতে পারে বলে সমর্থকরা জানিয়েছে। সাধারণ ভোটারের ধারণা সাবেক বর্তমান প্রার্থীরা  পুনরায় ভোটযুদ্ধে লড়াই করতে পারে আবার কারো ধারণা নতুন মুখ কেউ পুরতনদের সাথে লড়াই করতে পারে। প্রবীণ একজন মুরুব্বির বক্তব্য হচ্ছে এটা স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীক দেখে শুধু ভোটারা ভোট প্রদান করে না যোগ্য প্রার্থী দেখে ভোট প্রদান করবে তাছাড়া সকল প্রার্থীদের মধ্যে এমন দুইজন প্রার্থী রয়েছে ২০১১ সালের নির্বাচনে সমান সমান ভোট পেয়ে রেকর্ড করে ছিলেন তাদের মধ্যে এবার ও লড়াই হতে পারে বলে সচেতন ভোটারদের ধারনা।