প্রবাসীদের চিকিৎসা সরঞ্জামাদি প্রদানে কিছুটা হলেও উপকৃত ছাতকের কৈতক হাসপাতাল

0
86
ছাতকের ২০ শয্যা কৈতক হাসপাতাল

▪︎ছাতক প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ছাতকের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালে প্রবাসীদের অর্থায়নে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি প্রদানে ছাতক,দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, বিশ্বনাথ,দোয়ারা বাজার উপজেলাসহ সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন ।

বৃহত্তর সিলেট বিভাগের  বিভাগীয়  একমাত্র  ওসমানী মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে যেতে অত্র এলাকার রোগীদের নিয়ে অসহায় পরিবারের লোকজনের যাতায়াতের  খরচ অনেকটা থাকে ক্ষমতার বাহিরে ।

গরীব অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদানে ছাতকের দক্ষিণ অঞ্চলের প্রবাসীদের অর্থায়নে এসব চিকিৎসা সরঞ্জামাদি প্রদান করা হয়।

গত ২০২০ সালের ১০ জুন আনুষ্ঠানিক ভাবে জাউয়াবাজার উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে ভাতগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছাতক দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক (এমপি) কে প্রধান অতিথি করে প্রদান করা সরঞ্জামাদির মধ্যো ছিল অক্সিজেন সিলিন্ডার,ফ্লো মিটার স্টেন্ড,ডেলিভারি সিট,সিজারিয়ান অপারেশন সেট,একটি শিশু ওয়ার্ডসহ শিশু ওয়ার্ডের সরঞ্জামা,ফটোথেরাপী মেশিন,রেডিয়াম ওয়ারমার,অক্সিজেন নেজার সেট,অটোক্লেব মেশিন,পালস অক্সিমিটারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র।

এসব চিকিৎসা সরঞ্জামদি  পাওয়ার  পরে কিছুটা হলেও উপকৃত হাসপাতালে  চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ।

চিকিৎসা সরঞ্জাামাদ  পেয়ে উপকৃত হয়েছেন কি না জানতে চাইলে কৈতক হাসপাতালের ইনচার্জ ডাঃ মোজাহারুল ইসলাম বলেন , সরকারী হাসপাতাল জনগণের সেবা পাওয়ার স্থান,  প্রবাসীদের প্রদান করা  সরঞ্জামাদি পেয়ে কিছুটা হলেও অসহায় পরিবারের রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার নিরাপত্তা বিষয়ে উপকৃত হয়েছি।

হাসপাতালের নার্স আমেনা নাহিদ জানান,  বিশেষ করে ডেলিভারি সিট ও সিজারিয়ান অপারেশন সেট থাকার বর্তমানে আমরা কিছুটা আগের চেয়ে সেবা প্রদানে সহায়তা পাচ্ছি । তবে ডেলিভারি রুমে বিদ্যুৎ বিহীন সময়ে অন্ধকার থাকায় অনেক কষ্টে চিকিৎসা প্রদান করতে হয়.  এদিকে সু- নজর রাখার জন্য উর্ধতন কর্মকর্তা ও জন-প্রতিনিধিরা এগিয়ে আসলে আমরা আরো উপকৃত হবো বলে মনে করি।

গত ১৩ই জানুয়ারি রাতে সরজমিনে গিয়ে  দেখা যায়,  বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় দুটি ডেলিভারি রোগী নিয়ে বিপাকে পড়েছেন নার্সরা। অবশেষে নিরুপায় হয়ে তাদের হাতে থাকা মোবাইলের লাইট জালিয়ে সফল ভাবে ডেলিভারি করেছেন ।  এ সময় শিশু,বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ রোগী ও রোগীর স্বজনরা অন্ধকারে পড়ে আছেন , তখন রাত প্রায় ১১টা  । খবর নিয়ে জানা যায় ২০ শয্যা কৈতক  হাসপাতাল ওয়াপদা বিদ্যুৎতে আওতায় । এ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৩ মাসের শিশু ফাতেমা জান্নাত (রিশা)র পিতা মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক  উজ্জীবক সুজন তালুকদার ওয়াপদা বিদ্যুৎ কর্মকর্তার ব্যবহৃত মোবাইলে যোগাযোগ করেন ।  তিনি হসপিটালে  বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য বললে দায়িত্বরত ঐ  কর্মকর্তা বলেন লাইনে কাজ চলছে দেরিতে পাবেন আমাদের কিছু করার নেই।

সুনামগঞ্জ ৫ আসনের  স্থানীয়  সংসদ্য সদস্য মুহিবুর  রহমান মানিকের প্রতি  আবেদন বিদ্যুৎ বিহীন সময়ে ২০ শয্যা কৈতক হাসপাতাল অন্ধকার মুক্ত করতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে রোগী ও রোগীর স্বজনসহ  এলাকাবাসীর জোর দাবী জানিয়েছেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here